আপনার যুবসাথী টাকা এখনও আসেনি? কেন দেরি হচ্ছে, কারা আগে পাচ্ছেন, জেনে নিন বিস্তারিত তথ্য

WhatsAp Group Join Now
Telegram Group Join Now

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার বেকার যুবক যুবতীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে মাসিক ১৫০০ টাকা ভাতা দেওয়ার কথা বলেছেন যার নাম দেওয়া হয়েছে যুব সাথী প্রকল্প। চলুন আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর জেনে নেয়া যাক। 

যুবসাথী টাকা ঢুকতে কেন দেরি হচ্ছে? যুব সাথীর টাকা কারা আগে পাচ্ছেন জানেন? 

যুব সাথী প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সংখ্যক মানুষের তথ্য যাচাই করতে হবে। কমবেশি 80 - 85 লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী যুব সাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছেন। খুব কম সময়ের মধ্যে এত জনের তথ্য যাচাই করা সহজ হবে না। এই প্রকল্পে প্রায় 80 লক্ষ + মানুষ আবেদন করেছেন।

যুবসাথী টাকা ঢুকতে কেন দেরি হচ্ছে? যুব সাথীর টাকা কারা আগে পাচ্ছেন জানেন?
যুবসাথী টাকা কবে পাবেন? 

যে সমস্ত বা যারা যারা যারা সরাসরি ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করেছিলেন, তাদের তথ্য আগে থেকেই পোর্টালে রয়েছে। এই কারনে তাদের তথ্য যাচাই করতে বেশি সময় লাগছে না । এই কারণেই যুব সাথী অনলাইন আবেদনকারীদের ভেরিফিকেশন দ্রুত শেষ হচ্ছে এবং এই কারণের জন্যই তারাই প্রথমে টাকা পাচ্ছেন।


অন্যদিকে অনেকেই বিভিন্ন BDO অফিসের ক্যাম্পে গিয়ে যুব সাথী ফর্ম অফলাইনে জমা দিয়েছিলেন সেই সব ফর্মের তথ্য এখন একে একে কম্পিউটারে তোলা হচ্ছে। লক্ষ লক্ষ আবেদনপত্র থাকায় ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে কিছুটা সময় লাগছে। তাই অফলাইনে আবেদন করা অনেকের ক্ষেত্রে টাকা পেতে দেরি হচ্ছে। তবে যাদের তথ্য যাচাই সম্পূর্ণ হচ্ছে, যারা অফলাইনে আবেদন করেছেন তাদের যুব সাথী টাকা অ্যাকাউন্টে ধীরে ধীরে টাকা পাঠানো শুরু হয়েছে এক্ষেত্রে অনেক সময় লাগবে। আশা করি আপনি মার্চ মাসের মধ্যে আপনার প্রথম টাকা পেয়ে যাবেন।

আরও পড়ুনঃ যুবসাথী টাকা পেতে গেলে Bank Account এ DBT লিঙ্ক থাকা প্রয়োজন! জেনে নিন না থাকলে কি হবে ও কিভাবে লিংক করাবেন

কোন কোন কারণে যুবসাথী আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে?

  1. যাচাইয়ের সময় কিছু কারণে অনেক আবেদন বাতিল বা পেন্ডিং রাখা হচ্ছে।
  2. যদি কেউ আগে থেকেই অন্য কোন সরকারিই প্রকল্প যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা কৃষক বন্ধু প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে থাকেন, তাহলে তিনি যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
  3. যুব সাথী প্রকল্পে বয়সের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। আবেদনকারীর বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। 
  4. যাদের বয়স এই সীমার বাইরে হলে সেই আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
  5. আবেদনকারীর পরিচয়পত্রের সমস্যার জন্যও অনেক আবেদন আটকে পেন্ডিং আছে। 
  6. বিশেষ করে ভোটার কার্ডের তথ্য এখানে গুরুত্বপূর্ণ। কেউ যদি শুধু ভোটার কার্ডের এক দিকের ছবি আপলোড করে থাকেন, অথবা ভোটার তালিকায় তার নাম না থাকে, তাহলে সেই আবেদন আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে। 
  7. এছাড়াও যারা অফলাইন আবেদনের সময় ভোটার কার্ড জমা দেয়নি, তাদের ক্ষেত্রেও সমস্যা হচ্ছে।
  8. সমস্ত দিক বিচার বিবেচনা করে বলা যায়, যুব সাথী প্রকল্পের আবেদনে যাদের দেওয়া তথ্য ও নথি ঠিক থাকবে, তাদের আবেদন যাচাই শেষ হলেই ধাপে ধাপে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে। 
  9. আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পরই ধাপে ধাপে টাকা আপনার একাউন্টে পাঠানো হবে মার্চ মাসের মধ্যেই। সবাই একসাথে পাবে তার কোন মানে নেই। চিন্তা নেই টাকা পাবে ধৈর্য ধরতে হবে। 

Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url