যুবসাথী প্রকল্পের মার্চ-এপ্রিলের যুব সাথীর দু'মাসের টাকা ঢুকতে পারে? কবে থেকে ঢুকবে টাকা?

WhatsAp Group Join Now
Telegram Group Join Now

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় / পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের যুবকদের জন্য বাংলার যুব সাথী প্রকল্প ২০২৬ নামে একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে।রাজ্যের ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী যুবক-যুবতীরাই এই প্রকল্পের অধীনে মাসিক ১৫০০ টাকার ভাতা পাবেন। যুবসাথী প্রকল্পে টাকা পেতে সমস্যা  হওয়ার কিছু কারণ সম্পর্কে জেনে নিন ও কিভাবে সমাধান করবেন  জানার জন্য আজকের এই আমাদের প্রতিবেদনটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভালো করে মন দিয়ে দেখুন |

যুবসাথী প্রকল্পের মার্চ-এপ্রিলের যুব সাথীর দু'মাসের টাকা ঢুকতে পারে? কবে থেকে ঢুকবে টাকা?
যুবসাথী প্রকল্পের মার্চ-এপ্রিলের যুব সাথীর দু'মাসের টাকা ঢুকতে পারে

আবেদন করার পরেও আর্থিক সহায়তা অ্যাকাউন্টে না আসায় অনেকেই চিন্তায়। এই টাকার অপেক্ষায় থাকায় যথারীতি নানান প্রশ্ন তুলেছে। মার্চ থেকেই পাওয়া যাচ্ছে টাকা, তবে অনেকের টাকা অ্যাকাউন্টে আসেনি। এর মধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে তবে কি দু'মাসের টাকা একসঙ্গে ঢুকতে পারে?  


বর্তমানে বিভিন্ন জেলা থেকে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, ব্যাচ অনুযায়ী টাকার ক্রেডিট করা হচ্ছে। এর ফলে যারা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করেছিলেন তারা আগের থেকে সিস্টেমে আপলোড ছিল। যার ফলে তাদের যাচাই প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে তাড়াতাড়ি সম্পূর্ণ হয়েছে। পাশাপাশি অনেকের অ্যাকাউন্টে এই টাকা ইতিমধ্যে ঢুকতে শুরু করেছে।


সাধারণভাবে দেখা যাচ্ছে অনলাইনে আবেদনকারীদের তথ্য আগের থেকে যেহেতু সিস্টেমে ছিল। তাই তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছে। তবে এতে কোন নির্দিষ্ট নিয়ম নয়। বহু ক্ষেত্রে জেলাভিত্তিক প্রসেসিং এর উপর নির্ভর করে এই টাকা দেওয়া হচ্ছে।               


রাজ্যের যুবক-যুবতীদের আর্থিকভাবে একটু সাহায্য করার জন্য চালু হয়েছে ‘যুবসাথী’ প্রকল্প (Yuva Sathi)। তবে এই প্রকল্পে টাকা পাওয়ার নিয়ম নিয়ে অনেকের মধ্যেই এখনও কিছু প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে অনুদানের টাকা ঠিক অনলাইনে আবেদন করার পরও যারা টাকা পাননি তাদের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আজকের প্রতিবেদনে এই যুব সাথী প্রকল্পের টাকা নিয়ে সকল তথ্য বিস্তারিতভাবে জানানো হল।


এই টাকা পাঠানো হচ্ছে ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার পদ্ধতিতে। অর্থাৎ আবেদনকারীর আধার নম্বরের সঙ্গে লিঙ্ক করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা ক্রেডিট হচ্ছে।


প্রথমের দিকে যারা ডকুমেন্ট Self attested করেননি তাদের সমস্যা হচ্ছে। এছাড়াও বহু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যারা Self attested ছাড়া আবেদন করেছিলেন তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকছে। অর্থাৎ শুধুমাত্র এই কারণে সাধারণ সমস্যা হচ্ছে না। অফলাইনে জমা দেওয়া আবেদনগুলির করতে হচ্ছে। যার কারণবশত টাকা পেতে বেশ কিছুটা দেরি হচ্ছে। 


ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে Aadhaar link থাকতে হবে। KYC সম্পূর্ণ থাকতে হবে। DBT service সক্রিয় থাকতে হবে। এছাড়াও এই প্রকল্পে আবেদনকারীদের তথ্য জেলা ভিত্তিকভাবে যাচাই করা হচ্ছে। তথ্য যাচাই করার পরই আবেদন Approve করা হচ্ছে এবং তারপরই টাকা পাঠানো হচ্ছে। অর্থাৎ আবেদনকারী বর্তমানে অন্য কোথাও চাকরি করছেন কিনা ভোটার কার্ড ও পরিচয়পত্রের তথ্য। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতার ডকুমেন্ট।

Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url