BREAKING

আপনার যা প্রয়োজন এখানে সার্চ করুন

শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০২২

শব্দ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর |নবম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞান সপ্তম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর PDF |Class 9 Physical science 7th chapter question in bengali pdf

 শব্দ নবম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর |নবম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞান সপ্তম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর PDF |Class 9 Physical science 7th chapter question in bengali  pdf

শব্দ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর |নবম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞান সপ্তম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর PDF |Class 9 Physical science 7th chapter question in bengali pdf
শব্দ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর

আজ আমি তোমাদের জন্য নিয়ে এসেছি নবম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞানের সপ্তম অধ্যায় শব্দ প্রশ্ন উত্তর PDFclass 9 Physical  science seven chapter question Pdf in bengali | WB Class nine Physical  science question in bengali |WBBSE পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য নবম শ্রেণি ভৌত বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর pdf গুরুত্বপূর্ণ ভাবে তোমাকে সাহায্য করবে।


তাই দেড়ি না করে এই পোস্টের নীচে দেওয়া Download লিংকে ক্লিক করে |নবম শ্রেণি ভৌত বিজ্ঞান সপ্তম অধ্যায় শব্দ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর pdf download । Class ix Physical  science sound important Question in Bengali Pdf  ডাউনলোড করো । এবং প্রতিদিন বাড়িতে বসে প্রাক্টিস করে থাকতে থাক।ভবিষ্যতে আরো গুরুত্বপূর্ণ Note ,Pdf ,Current Affairs,ও প্রতিদিন মকটেস্ট দিতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।


‘শব্দ’ নবম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞানের প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো।

                         শব্দ

1.পর্যাবৃত্ত গতি (periodic motion):

 যদি কোনো গতিশীল বস্তুকণা নির্দিষ্ট সময় পরপর একই অবস্থানে ফিরে আসে এবং বারবার একই পথ অতিক্রম করে, তবে ওই বস্তুকণার গতিকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে। উদাহরণ: সরল দোলকের গতি, ঘড়ির কাঁটার গতি।

 

2.দোলন বা কম্পন (oscillation or vibration): পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন কোনো বস্তুকণা যদি বারবার একই পথে যাওয়া-আসা করে তবে তার গতিকে দোলন বা কম্পন বলে।

উদাহরণ: কম্পমান টান করা তারের কণাগুলির গতি।

 

3.পূর্ণদোলন (complete oscillation): কোনো কম্পনশীল বস্তুকণা তার গতিপথের যে-কোনো বিন্দু থেকে গতিশীল হয়ে পুনরায় সেই বিন্দুতে সেই দিকে গতিশীল অবস্থায় ফিরে আসার ঘটনাটিকে পূর্ণদোলন বা পূর্ণকম্পন বলে।

 

4.দোলনকাল বা পর্যায়কাল (time period): কোনো কণা যে-সময়ে একটি পূর্ণদোলন সম্পন্ন

করে তাকে ওই কণার দোলনকাল বলে। দোলনকাল সাধারণত “T” দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং এর মাত্রা হল [T]। এককের সমস্ত পদ্ধতিতেই দোলনকালের একক হল সেকেন্ড (s)।

 

5.কম্পাঙ্ক (frequency): একক সময়ে কোনো কণা যে ক-টি পূর্ণদোলন সম্পন্ন করে তাকে

কম্পাঙ্ক বলে।

 

6.বিস্তার (amplitude): কোনো কম্পনশীল কণার সাম্যাবস্থান থেকে সর্বাধিক সরণের মানকে কণাটির বিস্তার বলে। CGS পদ্ধতিতে এর একক সেন্টিমিটার (cm) এবং SI-একক মিটার (m)

 

7.তরঙ্গ: যে আলোড়ন কোনো জড় মাধ্যমে অগ্রসর হয়ে একস্থান থেকে অন্যস্থানে শক্তি সঞ্চালিত করে কিন্তু মাধ্যমকে স্থানচ্যুত করে না, তাকে তরঙ্গ বলে।

 

8.স্থিতিস্থাপক তরঙ্গ (elastic waves):

স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের কণাগুলির সমষ্টিগত কম্পনের ফলে সৃষ্ট যে আন্দোলন এগিয়ে গিয়ে মাধ্যমেরএকস্থান থেকে অন্যস্থানে শক্তি সঞ্চালিত করে, অথচ মাধ্যমের কণাগুলি স্থানচ্যুত হয় না তাকে স্থিতিস্থাপক তরঙ্গ বলে।

 

9.অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ: কোনো মাধ্যমের কম্পনশীল কণাগুলির গতির অভিমুখ যদি তরঙ্গের গতির অভিমুখের সমান্তরাল হয় তবে ওই তরঙ্গকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বলে।

 

10.তির্যক বা অনুপ্রস্থ তরঙ্গ (Transverse wave):

কোনো স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের কণাগুলির একই ধরনের কম্পনের ফলে মাধ্যমে যে তরঙ্গের সৃষ্টি

হয়, সেই তরঙ্গ ওই মাধ্যমের কণাগুলির কম্পনের অভিমুখের সঙ্গে লম্বভাবে অগ্রসর হলে, সেই

তরঙ্গকে তির্যক তরঙ্গ বলে।

 

11.পূর্ণতরঙ্গ (complete wave): কোনো মুহূর্তে তরঙ্গের ওপর অবস্থিত পরপর দুটি সমদশাসম্পন্ন কণার মধ্যবর্তী দূরত্বকে একটি পূর্ণতরঙ্গ বলে ৷

 

12.তরঙ্গদৈর্ঘ্য (wavelength): তরঙ্গের গতিপথে অবস্থিত পরপর দুটি সমদশাসম্পন্ন কণার মধ্যবর্তী দূরত্বকে অর্থাৎ একটি পূর্ণতরঙ্গের দৈর্ঘ্যকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বলা হয়।

 

13.পর্যায়কাল (time period): মাধ্যমের কোনো কণা যে সময়ে একটি পূর্ণকম্পন সম্পন্ন করে অর্থাৎ তরঙ্গটি যে সময়ে পরপর দুটি সমদশাসম্পন্ন কণার মধ্যবর্তী দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকে তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে।

 

14.কম্পাঙ্ক (frequency): তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলি পূর্ণতরঙ্গ সম্পন্ন করে তাকে তরঙ্গের কম্পাঙ্ক (n) বলে।

 

15.তরঙ্গের বিস্তার (amplitude): তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কোনো কণার সাম্যাবস্থান থেকে উভয়দিকে সর্বাধিক সরণকে তরঙ্গের বিস্তার বলে।

 

16.শব্দের প্রতিফলন: শব্দতরঙ্গ যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত হয়, তখন শব্দের কিছু অংশ বিভেদ তল থেকে প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। এই ঘটনাকে শব্দের প্রতিফলন বলে।

 

17.শ্রুতিগোচর শব্দ (Audible sound): শব্দ উৎসের কম্পন সংখ্যা সেকেন্ডে 20 থেকে 20,000-এর মধ্যে হলে উৎপন্ন শব্দ মানুষ এবং বেশিরভাগ প্রাণী শুনতে পায়। এরূপ শব্দকে শ্রুতিগোচর শব্দ বলে।

যেমন—মানুষের কথা বলা, বাদ্যযন্ত্রের শব্দ, পাখির ডাক ইত্যাদি।

 

18.শব্দেতর বা শ্রবণেতর শব্দ (Subsonic or infrasonic sound):

 শব্দ উৎসের কম্পাঙ্ক 20 ‘হাক' -এর (Hz) কম হলে, সেই উৎস থেকে সৃষ্ট শব্দ আমরা শুনতে পাই না। এই শব্দকে শব্দেতর শব্দ বলে।  যেমন—হাতি, গণ্ডার ইত্যাদি প্রাণী ।

 

19.শব্দোত্তর বা শ্রবণোত্তর শব্দ (Ultrasonic sound):

 শব্দ উৎসের কম্পাঙ্ক 20,000 'হার্জ' (Hz)-এর

বেশি হলে, সেই উৎস থেকে সৃষ্ট শব্দ আমরা শুনতে পাই না। এই শব্দকে শব্দোত্তর শব্দ বলা হয়।

 

20.সুরযুক্ত শব্দ (Musical Sound): শব্দ উৎস বা স্বনকের কম্পন নিয়মিত পর্যাবৃত্ত (Regular periodic)‌হলে যে শব্দ সৃষ্টি হয় এবং যা আমাদের কানে শ্রুতিমধুর লাগে, তাকে সুরযুক্ত শব্দ বলে।

 

21.সুরবর্জিত শব্দ (Noise): স্বনকের কম্পন অনিয়মিত বা ক্ষণস্থায়ী হলে যে শব্দের সৃষ্টি হয় এবং যা আমাদের কানে শ্রুতিকটু লাগে তাকে সুরবর্জিত শব্দ বলে।

 

22.প্রাবল্য বা তীব্রতা (loudness): শব্দের প্রাবল্য বা তীব্রতা বলতে শব্দ কতটা জোরালোভাবে আমাদের কানে এসে পৌঁছোয় তাকে বোঝায়। শব্দের প্রাবল্য একটি অনুভূতি। শক্তি দিয়ে এর পরিমাপ করা হয়। শব্দ বিস্তারের অভিমুখে একটি বিন্দুর চারদিকে একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ শব্দশক্তি প্রবাহিত হয়, তাকে ওই শব্দের তীব্রতা (intensity) বলে।

 

23.তীক্ষ্ণতা (pitch): সুরযুক্ত শব্দের যে বৈশিষ্ট্যের জন্য একই তীব্রতাবিশিষ্ট খাদের সুর এবং চড়ার সুরের মধ্যে পার্থক্য করা যায়, তাকে তীক্ষ্ণতা বলে।

 

24.গুণ বা জাতি (quality): যে বৈশিষ্ট্যের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে উৎপন্ন একই তীব্রতা ও তীক্ষ্ণতাবিশিষ্ট‌ স্বরগুলির মধ্যে পার্থক্য করা যায়, তাকে সুরযুক্ত শব্দের গুণ বা জাতি বলে।

যেমন—বাঁশি, হারমোনিয়াম, সেতার, গিটার ইত্যাদি একই স্বর।

 

25.শব্দজনিত পরিবেশদূষণ বা শব্দদূষণ: পরিবেশের অবাঞ্ছিত শব্দ সহনক্ষমতার ঊর্ধ্বে গিয়ে জীব ও পরিবেশের ওপর যে ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে, তাকে শব্দজনিত পরিবেশদূষণ বা শব্দদূষণ বলে।

 

26.শব্দদূষণের উৎস [Sources of sound pollution]:

শব্দদূষণের প্রভাব সাধারণভাবে দু-রকম— i.প্রাকৃতিক উৎস: বাজ পড়ার বিকট শব্দ, বিধ্বংসী ভূমিকম্পের শব্দ, অগ্ন্যুৎপাতের শব্দ, ধস নামার শব্দ ইত্যাদি।

 ii.কৃত্রিম বা মনুষ্যসৃষ্ট উৎস: রাস্তায় ট্রেন, ট্রাম-বাস প্রভৃতি যানবাহনের হর্ন, জেনারেটর, নানা প্রকার কোলাহল-ঝগড়া, জেট প্লেনের শব্দ, রানওয়েতে বিমান ওঠানামার শব্দ, মিটিং, মিছিল, পূজাপার্বণ ইত্যাদিতে নানা প্রকার শব্দ।

 

27.শব্দদূষণের প্রভাব [Effects of sound pollution]:

শব্দদূষণের উৎস সাধারণভাবে দু-রকম— i.ক্ষণস্থায়ী প্রভাব: হঠাৎ তীব্র শব্দের কারণে কানের পর্দার স্থায়ী বা অস্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। শব্দদূষণ বমিবমি ভাব ও ক্ষুধামন্দের সৃষ্টি করে।

ii.দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব: রক্তচাপ বেড়ে যায়, স্মৃতিশক্তি কমে যায়, স্নায়বিক বৈকল্য, মানসিক অবসাদ, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় ইত্যাদি।

 

28.শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের উপায় [Remedies of sound pollution]:

প্রধানত উৎসমুখে শব্দকে নিয়ন্ত্রণ করা সবচেয়ে ভালো উপায়। শব্দ সৃষ্টিকারী যন্ত্রপাতিতে উপযুক্ত স্প্রিং, কুশন, সাইলেন্সার ইত্যাদি লাগিয়ে শব্দদূষণ কমানো যায়। কারখানা বা শিল্প সংস্থায় তীব্র শব্দসৃষ্টিকারী যন্ত্র বা যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করে কিংবা নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করে উৎসস্থলে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আইন প্রণয়ন করে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে সজোরে মাইক বাজানো, বাজি ফাটানো, এয়ার হর্ন বাজানো ইত্যাদি বন্ধ করলে শব্দদূষণ কমবে। জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে দূরে নির্জন কোনো স্থানে কলকারখানা, বিমানবন্দর ইত্যাদি স্থাপন করা প্রয়োজন।

 

নবম শ্রেণি ভৌত বিজ্ঞান সপ্তম অধ্যায় 1 নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর [একটি বাক্যে উত্তর দাও]

অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন:

1.শব্দের কম্পাঙ্কের SI একক কী?

2.শব্দতরঙ্গ কী জাতীয় তরঙ্গ?

3.শব্দোত্তর শব্দ শুনতে পায়, এমন একটি প্রাণীর নাম লেখো।

4.শব্দের প্রতিধ্বনির একটি ব্যাবহারিক প্রয়োগ লেখো?

5.শব্দের তীক্ষ্ণতা কোন্ বিষয়ের ওপর নির্ভর করে?

 6. কীভাবে শব্দ, মাধ্যমের ভিতর দিয়ে সঞ্চালিত হয়?

 

নবম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞান সপ্তম অধ্যায় ২ নং প্রশ্ন উত্তর

 সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন

1 সূর্যে সর্বদাই প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হয় অথচ সে শব্দ আমরা শুনতে পাই না কেন?

2.তরঙ্গের পর্যায়কাল‌ কাকে বলে?

3.প্রেক্ষাগৃহের ছাদ আর্চের মতো বাঁকানো থাকে কেন?

4.একটি করে প্রাণীর নাম লেখো যারা শব্দেতর শব্দ এবং শব্দোত্তর শব্দ শুনতে পায়।

5.বাঘের গর্জনের চাইতে মশার গুণগুণ বেশি তীক্ষ্ণ কেন?

6.শব্দ দূষণ বলতে কী বোঝো?

7. তির্যক কম্পন কাকে বলে?

8.অনুদৈর্ঘ্য কম্পন কাকে বলে?

 

সপ্তম অধ্যায় শব্দ বড় প্রশ্ন উত্তর,

নবম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞান সপ্তম অধ্যায় 5 নং প্রশ্ন উত্তর

দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন:

1.অনুদৈর্ঘ্য ও তির্যক তরঙ্গের মধ্যে তুলনা করো। 2.তরঙ্গের কম্পাঙ্ক, তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও তরঙ্গবেগের

মধ্যে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করো।

3.SONAR যন্ত্র কীভাবে কাজ করে?

4.শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলি উল্লেখ

বারো।

5.প্রতিধ্বনির সাহায্যে কীভাবে বিমানের উচ্চতা নির্ণয় করা হয়?

6.সুরযুক্ত শব্দের বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো এবং প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের সংজ্ঞা দাও।

7.সেতারের তারকে কেন ফাঁপা বাক্সের ওপর টান করে সজ্জিত করা থাকে, ব্যাখ্যা করো।

 

[TAG]:   মাধ্যমিক শব্দ সপ্তম অধ্যায় pdf,শব্দ mcq,সপ্তম অধ্যায় বড় প্রশ্ন উত্তর,নবম শ্রেণি,নবম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞান,নবম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞান সপ্তম অধ্যায়,নবম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞান সপ্তম অধ্যায়ের ২ নং প্রশ্ন উত্তর,নবম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞান সপ্তম অধ্যায় বড় প্রশ্ন উত্তর,নবম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞান সপ্তম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর,Madhyamik Physical  science question in bengali,

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন