BREAKING

আপনার যা প্রয়োজন এখানে সার্চ করুন

বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ, ২০২২

আকাশে সাতটি তারা নবম শ্রেণির বাংলা কবিতার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর |নবম শ্রেণির বাংলা কবিতা প্রশ্ন উত্তর PDF

আকাশে সাতটি তারা নবম শ্রেণির বাংলা কবিতার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর |নবম শ্রেণির বাংলা কবিতা  প্রশ্ন উত্তর PDF |Class 9 Bengali Kobita question in bengali  pdf


আজ আমি তোমাদের জন্য নিয়ে এসেছি নবম শ্রেণির বাংলা কবিতা আকাশে সাতটি তারা প্রশ্ন উত্তর PDFclass 9 Bengali Kobita question Pdf | WB Class nine Bengali question pdf |WBBSE পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য নবম শ্রেণি বাংলা কবিতাের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর pdf গুরুত্বপূর্ণ ভাবে তোমাকে সাহায্য করবে।


তাই দেড়ি না করে এই পোস্টের নীচে দেওয়া Download লিংকে ক্লিক করে |নবম শ্রেণি বাংলা কবিতা আকাশে সাতটি তারা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর pdf download । Class ix Bengali Kobita Question Pdf  ডাউনলোড করো । এবং প্রতিদিন বাড়িতে বসে প্রাক্টিস করে থাকতে থাক।ভবিষ্যতে আরো গুরুত্বপূর্ণ Note ,Pdf ,Current Affairs,ও প্রতিদিন মকটেস্ট দিতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।


‘আকাশে সাতটি তারা’ নবম শ্রেণির বাংলা কবিতাের প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো।


আকাশে সাতটি তারা mcq প্রশ্ন

1.

2.



নবম শ্রেণি বাংলা কবিতা  1 নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর [একটি বাক্যে উত্তর দাও]

নবম শ্রেণির বাংলা কবিতা আকাশে সাতটি তারা 1 নং প্রশ্ন উত্তর

১, আকাশে সাতটি তারা ওঠার সময় কবি কোথায় বসে  ?

উত্তর: কবি জীবনানন্দ দাশ আকাশে সাতটি তারা উঠলে ঘাসের উপর সন্ধ্যার রূপ দেখেন।

২ আকাশে সাতটি তারা' কবিতায় কবি বাংলার সন্ধ্যা সম্পর্কে কী বিশেষ ব্যবহার করেছেন?

উত্তর: ‘আকাশে সাতটি তারা’ কবিতায় কবি বাংলার সন্ধ্যা সম্পর্কে ‘শান্ত', ‘অনুগত’ ও ‘নীল’—এই তিনটি বিশেষণ ব্যবহার করেছেন।

৩, বাংলার সন্ধ্যাকে কবি ‘শান্ত অনুগত' বলেছেন কেন?

উত্তর: প্রকৃতির মিঃধ বিস্তারে বাংলার সন্ধ্যার প্রকাশ ঘটে বলে তাকে কব ‘শান্ত অনুগত বলেছেন।

৪. ‘আকাশে সাতটি তারা কবিতায় সন্ধ্যার আকাশে কে এসেছে বলে কবির মনে হয়েছে?

উত্তর: ‘আকাশে সাতটি তারা কবিতায় বাংলার সন্ধ্যার আকাশে এক কেশবতী কন্যা এসেছে বলে কবি জীবনানন্দ দাশের মনে হয়েছে৷

৫, কামরাঙা-গাল (মদী সনে গানে শনি না যাগ[জেনিক ; শান্তি মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল)

উত্তৰ। কামরাঙা-ইলি মেঘের গlিাজটা ভুলে যাওয়াকে বি ত নিঃ পাখির সঙ্গে তুলনা করেছেন।

৬, পৃথিবীর কোনাে পথ কানে দেখেনি বলে দাবির মনে হয়?

উত্তৰ। বাংলার সন্ধ্যার আকারে নেবতী কন্যাকে পৃথিবীর কোনো পথ দেখেনি বলে কবির মনে হয় |

৭, কবির 'চোখের 'পরে', 'মুখের 'পরে কী ভাসে?

উত্তর। কবি জীবনানন্দ দাশের ‘চোখের 'পরে’, ‘খের 'পরে বাংলার নীল সন্ধ্যার চেহারায় আসা কেশবতী কন্যার চুলা ভাসে।

৮, "অজস্র চুলের মা..." কবি কী অর্থে ব্যবহার করেছেন? [ব্যারাকপুর গভঃ হাই স্কুল]

উত্তর। প্রকৃতির বুকে অন্ধকারের নিবিড়তাকে বোঝাতে কৰি ‘অজস্র চুলের চুমা কথাটি ব্যবহার করেছেন।

৯,কেশবতী কন্যার চুলের.চুমা কোথায় ঝরে? [জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল]

ত্তর। কেশবতী কন্যার চুলের চুমা হিজলে-কাঠালে-জামে অবিরত ঝরে পড়ে। 



আকাশে সাতটি তারা 3 নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর

নবম শ্রেণির বাংলা কবিতা আকাশে সাতটি তারা 3 নং প্রশ্ন উত্তর


১কামরাঙা-লাল মেঘ যেন মৃত মনিরার মতো | গঙ্গাসাগরের ঢেউয়ে ডুবে গেছে'—পত্তিটির মধ্য দিয়ে কবি কী বােঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশে সাতটি তারা কবিতা থেকে উদ্ধৃত

পর্ভূক্তিটি নেওয়া হয়েছে।

কবিতাটিতে জীবনানন্দ বাংলার বুকে দিন শেষ হয়ে ধীরে ধীরে সন্ধ্যার নেমে আসার এক অপূর্ব বর্ণনা দিয়েছেন। সূর্য অস্ত যাওয়ার পর তার শেষ আভাটুকু রাঙিয়ে দেয় আকাশের মেঘকে| লাল টুকটুকে মেঘকে দেখে কবির পাকা কামরাঙা ফলের কথা মনে হয়। সেই মেঘও যখন সাগরজলে বিলীন হয়, কবির মনে হয় যেন এক মৃত মনিয়া পাখি জলে তার রক্তের রেশটুকু ছড়িয়ে দিয়ে ডুবে গেল |


৫) “আসিয়াছে শান্ত অনুগত | বাংলার নীল সন্ধ্যা”—কবি বাংলার সন্ধ্যাকে শান্ত', 'অনুগত', ‘নীল’ কেন বলেছেন?

উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশে সাতটি তারা কবিতা থেকে উদ্ধৃত পত্তিটি নেওয়া হয়েছে।

বাংলার গ্রামে শহরের মতাে কোলাহল নেই—জীবনযাত্রা সেখানে শান্ত তাই গ্রামবাংলার বুকে সন্ধ্যা নামে শান্তভাবে| পন্নিবাংলার সন্ধ্যা গ্রামের পরিবেশের সঙ্গে মানানসই—তার চাকচিক্য নেই, আছে মিধতা। তাই সন্ধ্যা অনুগত' | সন্ধ্যায় অন্ধকার আর দিনের আলাে মিশে যে অাবছায়া তৈরি করে তার সঙ্গে গাছপালার সবুজ আভা মিলে সন্ধ্যাকে ‘নীল’ করে



৫)"কেশবতী কন্যা যেন এসেছে আকাশে;"—পঙক্তিটি ব্যাখ্যা করাে।

উত্তর: উধৃত পঙক্তিটি ‘রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা।‘আকাশে সাতটি তারা কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।

এই কবিতায় জীবনানন্দ তার একান্ত নিজস্ব ভঙিতে পল্লিবাংলার সন্ধ্যাকে বর্ণনা করেছেন। সূর্য ডুবে গেলে যখন দিনের আলাে ফিকে হয়ে আসে, কবির মনে হয় যেন এক কেশবতী কন্যা এসেছে সন্ধ্যার আকাশে। তার ছড়িয়ে পড়া কালাে চুলে ঘনিয়ে আসে রাতের অন্ধকার। কবির চোখে এভাবেই কাব্যিকরূপে ধরা দেয় পন্নিবাংলার সন্ধ্যা।


3.“শ্রামার চোখের পরে আমার মুখের 'পরে চুল তার ভাসে—পঙক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করাে।

উত্তর: উধৃত পত্তিটি জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশে সাতটি তারা কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে | সবে যখন সূর্য অস্ত গেছে, আকাশে তারার বিন্দু ফুটে উঠছে সেইসময় কবি ঘাসের উপর বসে গধ-বর্ণ-স্পর্শ দিয়ে পন্নিবাংলার সন্ধ্যাকে অনুভব করেন। তার মনে হয় যেন এক এলােকেশী মেয়ে দেখা দিয়েছে সন্ধ্যার আকাশে | তার ছড়িয়ে পড়া কালাে চুলের মতাে ধীরে ধীরে অন্ধকার নামে। কবি তার চোখে-মুখে সেই চুল অর্থাৎ অন্ধকারের স্পর্শ অনুভব করেন।


৬) “পৃথিবীর কোনাে পথ এ কন্যারে দেখে নি কো"—কবির বক্তব্যএ বিশ্লেষণ করাে।

উত্তর: উধৃত পঙক্তিটি জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশে সাতটি তারা' কবিতা

থেকে নেওয়া হয়েছে |

কবি ঘাসের উপর বসে পন্নিবাংলার দিন ও রাত্রির সন্ধিক্ষণে সন্ধ্যাকে নিবিড়ভাবে উপলব্ধি করেছেন। তার মনে হয় সূর্য অস্ত যাওয়ার পরে যেন এক এলােকেশী কন্যার আবির্ভাব হয় বাংলার আকাশে | তার ছড়িয়ে পড়া চুল ছুঁয়েই নেমে আসে অন্ধকার। কবির কল্পনার এই কন্যা আসলে সন্ধ্যাকালীন বাংলার প্রকৃতি। রূপসি বাংলার মতাে সৌন্দর্য পৃথিবীর আর কোথাও নেই, তাই আর কেউ এই কন্যাকে দেখেনি।


7.“অজস্র চুলের চুমা হিজলে কাঠালে জামে ঝরে অবিরত, ধতিটির মধ্য দিয়ে কবি কী বােঝাতে চেয়েছেন?

অথবা, অজস্র চুলের চুমা' বলতে কী বােঝানাে হয়েছে?[হুগলি কলেজিয়েট স্কুল)

উত্তরঃ উধৃত পঙক্তিটি কবি জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশে সাতটি তারা কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটিতে জীবনানন্দের কল্পনাপ্রবণ চোখে ধরা পড়েছে পন্নিবাংলার সন্ধ্যার অপরূপ সৌন্দর্য।তার মনে হয় সূর্য অস্ত যাওয়ার পরে যেন এক রূপসিএলােকেশী মেয়ে দেখা দেয় বাংলার আকাশে। আকাশ থেকে  তার ছড়িয়ে পড়া কালাে চুল ধীরে ধীরে অন্ধকারের স্পর্শ নিয়ে আসে প্রকৃতির বুকে।

হিজলকাঠাল-জামের পাতায় সেই সােহাগভরা অন্ধকারের স্পর্শ যেন।

আসলে সেই রূপসির চুলের চুম্বন।


১.এরই মাঝে বাংলার প্রাণ; —পঙক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করাে।

অথবা, “এরই মাঝে বাংলার প্রাণ;”—কবি কোথায় বাংলার প্রাপকে[রামকৃয় মিশন বিদ্যাপীঠ, পুরুলিয়া]

উত্তর: উধৃত পঙক্তিটি জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশে সাতটি তারা' কবিতা

অনুভব করেন থেকে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ জীবনানন্দের কাছে শুধু এক ভূখণ্ড নয়, প্রাণময়ী মূর্তি। শব্দ-গন্ধ- বর্ণ-স্পর্শ দিয়ে কবি তাকে অনুভব করেন। আলােচ্য কবিতাটিতে তিনি বাংলার সন্ধ্যাকালীন প্রকৃতির এক অপূর্ব বর্ণনা দিয়েছেন। হিজল, কাঠাল, বট প্রভৃতি বৃক্ষ, ধান গাছ, কলমি শাক, মুথা ঘাস, পুকুর, মাছ, কিশাের- কিশােরী অর্থাৎ মানুষ—এই সব নিয়েই বাংলার পরিপূর্ণ প্রকৃতি৷ এই প্রকৃতির মধ্যেই কবি বাংলার জীবন্ত সত্তাকে উপলব্ধি করেছেন


2.“লাল লাল বর্টের ফলের/ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা”—তাৎপর্য- ব্যাখ্যা করাে।

উত্তর: ‘আকাশে সাতটি তারা’ কবিতায় কবি পল্লিপ্রকৃতির মধ্যে বাংলার

প্রাণ’-কে খুঁজে পেয়েছিলেন। গাছ থেকে খসে পড়া বট ফলের মধ্যে রয়েছে এক নীরব ক্লান্তি | বাংলার শান্ত নিস্তরঙ্গ প্রকৃতির মধ্যে থাকা বিষাদময়তাকেই যেন কবি এখানে প্রত্যক্ষ করেন৷ গাছ থেকে খসে পড়া বট ফলের মধ্যে রয়েছে জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার বেদনা।


3.“আকাশে সাতটি তারা যখন উঠেছে ফুটে আমি পাই টের”—“আমি' র্কে? তিনি কী টের পান?১+২

টোকি গভঃ হাই স্কুল; বাঁকুড়া ক্রিশ্চান কলেজিয়েট স্কুল]

উত্তর: ‘আকাশে সাতটি তারা’ কবিতা থেকে গৃহীত আলােচ্য পঙক্তিটিতে। ‘আমি’ হলেন কবি জীবনানন্দ দাশ নিজে।


আকাশে সাতটি তারা বড় প্রশ্ন উত্তর,

নবম শ্রেণির বাংলা কবিতা  5 নং প্রশ্ন উত্তর


“১.এরই মাঝে বাংলার প্রা”—এই পঙক্তিটির মধ্য দিয়ে কবির যে গভীর অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে তা নিজের ভাষায় বর্ণনা করাে।

অথবা, কবি কোথায় কীভাবে বাংলার প্রাপকে অনুভব করেছেন, আলােচনা করো।


উত্তর: ‘আকাশে সাতটি তারা' কবিতাটিতে সন্ধ্যাবেলায় পরিবাংলার যে রূপ ফুটে ওঠে তাই কবি জীবনানন্দ দাশ অপূর্ব ভাষায় বর্ণনা করেছেন। সূর্য অস্ত যাওয়ার পর গােধূলির লাল আভায় আকাশের মেঘ পাকা কামরাঙা ফলের মতাে লাল হয়ে ওঠে। সেই লাল মেঘও যখন দিগন্তরেখায় মিশে যায় তখন দিনরাত্রির সন্ধিক্ষণে শান্ত, নীল সন্ধ্যা নেমে আসে। আকাশে তখন সপ্তর্ষিমণ্ডলের সাতটি তারা সদ্য ফুটে উঠেছে। ঘাসের উপর বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে কবির মনে হয় যেন এক এলােকেশী কন্যার আবির্ভাব হয়েছে। মাটির বুকে ধীরে ধীরে নেমে আসা অন্ধকার যেন সেই ল্যার ছড়িয়ে পড়া কালাে চুলের রাশি। জীবন্ত মানবীর চুলের মতাে সেই অন্ধকারের স্পর্শ কবি অনুভব করেন। তার মনে হয়, হিজল কাঠাল- জামের পাতায় সেই চুলের আদরমাখা স্পর্শ অন্ধকার রূপে ঝরে পড়ছে। গাছপালা, লতাগুল্ম, মাটি, জল, মানুষ, মনুষ্যেতর প্রাণী—সবার গন্ধ মিশে তৈরি হয় সেই কন্যার চুলের গন্ধ। এইভাবেই কবি প্রকৃতি এবং জীবজগৎকে মিলিয়ে প্রাণময়ী বাংলাকে অনুভব করেছেন। প্রকৃতি তার চেতনায় হয়ে উঠেছে এক জীবন্ত সত্তা।


[TAG]:   নবম শ্রেণি আকাশে সাতটি তারা কবিতা pdf,আকাশে সাতটি তারা কবিতা mcq,আকাশে সাতটি তারা বড় প্রশ্ন উত্তর,নবম শ্রেণি,নবম শ্রেণির বাংলা কবিতা প্রশ্ন উত্তর,নবম শ্রেণির বাংলা কবিতা,নবম শ্রেণির বাংলা কবিতা 3 নং প্রশ্ন উত্তর,নবম শ্রেণির বাংলা কবিতা  বড় প্রশ্ন উত্তর,নবম শ্রেণির বাংলা কবিতা 1 প্রশ্ন উত্তর,Class 9 Bengali question in bengali,







কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন